ফেসবুকে মানহানিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে কমিটি গঠন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে মানহানিকর কনটেন্ট (যেমন- বক্তব্য, ছবি, ভিডিও) নিয়ন্ত্রণে কী করা যায়, তার উপায় খুঁজে বের করতে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইন ও সংসদবিষয়ক সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ সংবাদপত্র অ্যাসোসিয়েশনের একজন প্রতিনিধি ও টেলিভিশন চ্যানেলের একজন প্রতিনিধিকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
এক মাসের মধ্যে এই কমিটিকে সুপারিশ আকারে রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, ফেসবুকে মানহানিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বেয় গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে, এ বিষয়ে রিট দায়ের করেন দেশ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুর রহমান। তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, কোনো প্রকার তথ্য-উপাত্ত ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ও পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যেসব মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করা হয়, সেসব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, আজ আদালত রুল জারি করে তা জানতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে মানহানিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে রিটকারীর আবেদন ১৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত।